লাতিফা আহমাদ আল-তায়মা সিরিয়ার এক শি’শুকন্যা। সাড়ে চার বছরের এই ছোট্ট মেয়ে সম্পূর্ণ কোরআনের হাফেজ। বর্তমানে সে তুরস্কের শ’রণার্থী শিবিরে জীবন কা’টাচ্ছে। শ’রণার্থী শিবিরে শত ক’ষ্টের মাঝেও সে সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করেছে।

জানা যায়, সিরিয়ার “দেইর আল-জো’র” প্রদেশ থেকে লাতিফা আহমাদের পরিবার তুরস্কে প্রবেশ করেন। বর্তমানে সে তার পরিবারের সাথে তুরস্কের সাইরাত শহরে একটি শ’রণার্থী শিবিরে জীবন অতিবাহিত করছে।

এই কনিষ্ঠ হাফেজার পিতা আহমাদ জিয়া বলেন: যারা লাতিফাকে দেখে, তারাই আশ্চর্য হয় এবং তার প্রশংসা করে। লাতিফা প্রথমে ৩০ পারা থেকে কুরআন মুখস্থ করা শুরু করে। সাড়ে চার বছরের এই ছোট্ট মেয়ে বর্তমানের সম্পূর্ণ কোরআনের হাফেজা।

আহমাদ জিয়া আরও বলেন: আমাদের কন্যা প্রথমে সূরা “ফাতিহা”, “আন-নাস”, “আল-ইখলাস” এবং “আল-ফালাক” মুখস্থ করে। পরবর্তীতে সে সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে সূরা “আল-মি’রাজ” মুখস্থ করা শুরু করে।

তারপর থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, লাতিফার মুখস্থ করার ক্ষমতা অনেক প্রখর এবং কুরআন হেফজের প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে। পরিশেষে মাত্র সাড়ে চার বছর বয়সে লাতিফা সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে।

ইমান টোয়েন্টিফোর ডটকম / এস এম

পৃথিবীর প্রথম জমিন হচ্ছে পবিত্র কাবাঘর

মু’সলিম ইম্মাহর ভাষ্য মতে এটাকে বলা হয় বাইতুল্লাহ বা আল্লাহর ঘর। কাবা শরিফ ও পবিত্র কাবাঘরও বলা হয়ে থাকে।

এই পবিত্র কাবা ঘরের অভিমুখী হয়েই আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করেন পৃথিবীর কোটি কোটি মু’সলিম। সৃষ্টির সূচনা থেকেই মহান পবিত্র এই কাবাকে মহান আল্লাহ তার মনোনীত বান্দাদের মিলনস্থল করেছেন।

আমরা সকলেই জানি , ভৌগোলিকভাবেই গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। এ বি’ষয়ে পিএইচডি করেছেন ড. হুসাইন কামাল উদ্দীন আহমদ। তাঁর থিসিসের শিরোনাম হলো—‘ইসকাতুল কুররাতিল আরধিয়্যা বিন্ নিসবতে লি মাক্কাতিল মুকাররামা।’ (মাজাল্লাতুল বুহুসুল ইসলামিয়া, রিয়াদ : ২/২৯২)

ওই থিসিসে তিনি প্রাচীন ও আধুনিক দলিল-দস্তাবেজের আলোকে এ কথা প্রমাণ করেছেন যে কাবাই পৃথিবীর মেরুদ’ণ্ড ও পৃথিবীর মধ্যস্থলে অবস্থিত। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পানিসর্বস্ব পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি এ কাবাকে কেন্দ্র করেই।

আরেকটি বি’ষয় হলো, মাটিতে রূপান্তর হওয়ার আগে কাবা সাদা ফেনা আকারে ছিল। সে সময় পৃথিবীতে পানি ছাড়া কিছু ছিল না। আল্লাহর আরশ ছিল পানির ও’পর।

হাদিসের ভাষ্য মতে, কাবার নিচের অংশটুকু পৃথিবীর প্রথম জমিন। বিশাল সাগরের মাঝে এর সৃষ্টি। ধীরে ধীরে এর চারপাশ ভরাট হতে থাকে। সৃষ্টি হয় একটি বিশাল মহাদেশের। এক মহাদেশ থেকেই সৃষ্টি হয় অন্য সব মহাদেশ। মাটি বিছানোর পর জমিন নড়তে থাকে। হেলতে থাকে।

এর জন্য মহান আল্লাহ পাহাড় সৃষ্টি করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বত স্থাপন করেছেন, যাতে পৃথিবী তোমাদের নিয়ে আন্দোলিত না হয় (হেলে না যায়)।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ১৫)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here