ক’রোনায় মায়ের মৃ’ত্যু, মা হাসপা’তাল থেকে ফিরে তাকে কোলে নেবেন, ছেলেটি এখনো অপেক্ষায়

corona

চার বছর বয়সী ছেলেটি তার মায়ের অপে’ক্ষায় আছে। মা হাসপা’তাল থেকে ফিরে তাকে কোলে নেবেন, মুখে তুলে খাই’য়ে দেবেন, জড়ি’য়ে ধরে ঘু’মাবেন। ছেলে আ’য়দান এখনো জানে না তার মা আ’র নেই।

মায়ের জন্য আয়’দানের অ’পেক্ষা আর ক’খনই শে’ষ হবে না। নিউ’ইয়’র্কের লং আই’ল্যান্ডের একটি হাসপা’তালে করো’না আ’ক্রা’ন্ত অ’বস্থায় মা’রা গে’ছেন আয়’দানের মা তা’সনিম নাও’য়ার তমা।

তাসনিম নাওয়ার তমা’র স্বা’মীর নাম নাজ’মুস সাকিব। সাত বছর প্রে’ম করা’র পর ২০১২ সালে বিয়ে ক’রেছি’লেন তাঁরা। কোলজু’ড়ে আসে ফুট’ফুটে শি’শু আ’য়দান। যেন স্বপ্নের মতো জীবন চ’লছিল তাঁদের। ক’রোনা’র কারণে এখন সেই স্বপ্ন’ ভে’ঙে চু’রমা’র হয়ে গেছে।

ছেলেকে নিয়ে নাজ’মুস সাকিব ও তাসমিন নাওয়ার তমা থাক’তেন লং আইল্যান্ড কাউন্টিতে। তমার বাড়ি ময়ম’নসিংহে। গত ২৮ দিন আগে করো’নাভাইরা’সে সংক্র’মিত হন তমা। তখন থেকেই হাসপাতা’লে ছিলেন তিনি।

অবশেষে ২৮ দিন যু’দ্ধ করে ক’রো’নার কাছে হেরে গেলেন তমা। স্ত্রী’র মৃ’ত্যু’র খ’বর দিতে গিয়ে স্বামী না’জমুস সাকিব কা’ন্নাজ’ড়িত ক’ণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছে’লেটা এতিম হয়ে গেল, আমার ছেলে’র জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

৬০ বছর ধরে বিনা বেতনে ভালোবেসে মসজিদে আজান দিচ্ছেন অজি উল্লাহ

মক্কা শরীফে আজান দেওয়া তার শখ ছিল। ২০০৫ সালে হজে করতে গিয়ে সেই শখ পূরণ করতেও চেয়েছিলেন। তবে সৌদির বাদশার অনুমতি ছাড়া মক্কা শরীফে আজান দেওয়ার রেওয়াজ নেই বলেই তার শখ পূরণ হয়নি। তার ছেলেমেয়েরা ঢাকায় থাকেন।

সেখানে গেলেও স্থানীয় মসজিদে আজান দেন তিনি। বলছি বৃ’দ্ধ অজি উল্যার কথা। ৬০ বছর ধরে বিনা বেতনে ভালোবেসে লক্ষীপুর জে’লার সদর উপজে’লায় শাকচর ইউনিয়নে এ কাজ করছেন।

জানতে চাইলে অজি উল্যা চৌধুরী বলেন, আজান দিতে আমার ভালো লাগে। ২০ বছর বয়স থেকেই আমি আজান দিয়ে আসছি। দেশের যে স্থানেই গিয়েছি, সেখানে স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার সুযোগ করে নিয়েছি।

আল্লাহর পথে মানুষকে ডেকে আনা অনেক সওয়াবের কাজ। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমার উদ্দেশ্য। এর থেকে অন্য কোন চাহিদা আমার নেই। যতদিন সামর্থ থাকবে, ততদিন আজান দিব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *