ম’হামা’রী ক’রোনাভা’ইরাসেের বি’রুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী ও’ষুধ আবি’ষ্কার করলেন রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা।

ক’রোনা আ’ক্রান্তদের ও’পর পরীক্ষামূলক প্রয়োগে এই ও’ষুধে সাফল্য মিলেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। চলতি মাস থেকেই ক’রোনার চিকিৎসায় এই ও’ষুধের প্রয়োগ শুরু করবে রাশিয়া।

এ ত’থ্য জানিয়েছে রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’ এবং ব্রিটিশ সংস্থা রয়টার্স।

‘অ্যাভিফ্যাভির’ (Avifavir) নামে এই ও’ষুধের পেটেন্ট পেয়েছে রুশ ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা।

রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি, ক’রোনা আ’ক্রান্ত রো’গীদের ও’পর এই ও’ষুধ প্রয়োগে চার দিন পর ৬৫ শতাংশ রো’গীর শ’রীরেই ভাই’রাস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে গেছে।

জানা গেছে, দেশের ক’রোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই ও’ষুধ প্রয়োগে ছাড়পত্র দিয়েছে রুশ স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়। এই ও’ষুধের প্রথম ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়ালে অপ্রত্যাশিত সাফল্য মিলেছে বলেই দাবি বিজ্ঞানীদের।

জাপানে সংক্রামক জ্বরের প্রতিষেধক ফ্যাভিপিরাভির রাসায়নিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে ‘অ্যাভিফ্যাভির’ তৈরি করেছেন রুশ বিজ্ঞানীরা।

রুশ স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ৩৩০ ক’রোনা রো’গীর ও’পর চূড়ান্ত পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। আগামী ১১ জুন থেকেই এই ও’ষুধ দেশের ক’রোনা চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হবে।

যেসব মানুষ কখনও ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হবে না: গ’বেষ’ণা

বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ক’রোনা সং’ক্র’মণ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃ’ত্যুও। তবে এই ম’হামা’রীর মধ্যেও কিছু মানুষ কখনও ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হবে না।

সম্প্রতি এক নতুন গ’বেষ’ণায় এমনটি দাবি করা হয়েছে।

গ’বেষ’ণাটি গত মাসে সেল জার্নালে প্রকাশ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট সায়েন্স অ্যালার্ট।

গ’বেষ’ণায় বলা হয়, কিছু লোকের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক’রোনাভা’ইরাসেের বি’রুদ্ধে লড়াই করতে পারে। তাদের শ’রীরে এমন ধরনের ‘টি সেল’ রয়েছে যার কারণে তারা কখনও আ’ক্রান্ত হবেন না।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, কিছু লোক যাদের ক’রোনাভা’ইরাসে কখনও প্রকাশ হয়নি। তাদের কাছে সহায়ক টি সেল রয়েছে; যা এটি শনাক্ত করতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম।

ওই গ’বেষ’ণায় বলা হয়, বিভিন্ন ধারার ভাই’রাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার কারণে অনেক মানুষের শ’রীরে ভাই’রাসবি’রোধী টি সেল তৈরি হয়। এই সেল ক’রোনা রুখে দিতে সক্ষম।

সায়েন্স অ্যালার্ট বলছে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সক্ষ’মতাকে বলা হয় ‘ক্রস-রিয়েক্টিভিটি’।

গ’বেষ’ণায় মোট ৪০ জনের র’ক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ২০ জন ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠেছে। বাকি ২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে। যারা অন্য কোনো ভাই’রাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছিলেন। সেই ২০ জন আ’ক্রান্ত হয়নি।

বিজ্ঞানীরা আরও দাবি করছেন, যাদের শ’রীরে মৃদু ক’রোনা ভাই’রাসের উপসর্গ ছিল, তাদের শ’রীরেও এমন কিছু টি সেল এবং অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে যেগুলো ভবি’ষ্যতে সং’ক্র’মণ থেকে রক্ষা করবে।

গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, ক’রোনা থেকে সেরে ওঠা ২০ জনের শ’রীরেই শ্বেত র’ক্তকণিকা এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতি রয়েছে। আর ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে যেসব নমুনা নেয়া ছিল, সেগুলোর ৫০ শতাংশের মধ্যেও ‘সিডি৪+’ নামের ‘টি-সেল’ পাওয়া গেছে।

গ’বেষ’ণার সহকারী আলেসান্দ্রো সেটে বলেছেন, ‘টি সেল’ খুব দ্রুত শক্তিশালী রো’গ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। ভাই’রাস শ’রীরে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও টি সিলের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা এটিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

প্রসঙ্গত প্রা’ণঘা’তী নভেল ক’রোনাভা’ইরাসেে সারাবিশ্বে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ভাই’রাসটিতে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৫ জন।

এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ভাই’রাসটিতে মা’রা গেছেন ৩ লাখ ৯১ হাজার ১৩৬ জন। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ প্রা’ণঘা’তী ভাই’রাস।

ক’রোনাভা’ইরাসেে সবচেয়ে বেশি সং’ক্র’মণ ও মৃ’ত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ৭২ হাজার আর মৃ’ত্যু হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার মানুষের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here