একাদশে খুব শিগগিরই ভর্তি শুরু করতে পারবো মনে হয়। করোনার মধ্যেই তো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দিতে পারলাম। এখন সামতে তাদের কলেজে ভর্তির বি’ষয়। উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার জন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে হয়তো।

কিন্তু ভর্তি যেহেতু অনলাইনে করা যায় সেহেতু খুব শিগগিরই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো বলে মনে হয়। এসব কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ক’রোনাকালীন সং’কট নিয়ে বিশেষ ওয়েবিনার ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’-এর অষ্টম পর্বে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।.আজ ৩০ জুন রাতে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদের পরিচালনায় এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল,

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপা’চার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রচারিত হয় আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে। একই স’ঙ্গে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয় বিজয় টিভির পর্দায়। ইত্তেফাক, ভোরের কাগজ ও ফেসবুক পেজ থেকেও প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে দর্শকেরা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের আগে দলের ফেসবুক পেজের পোস্টেও প্রশ্ন করার সুযোগ ছিলো।

উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ৬০৯ জনের ফল পরিবর্তন

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২০ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের পর ৬০৯ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পুনর্নিরীক্ষণের ফল ঘোষণা করা হয় বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ন চন্দ্র নাথ।

তিনি জানান, এইবার এসএসসি পরীক্ষার ৫২ হাজার ২৪৬টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২০ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী।

‘মঙ্গলবার প্রকাশিত পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলে ৬০৯ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। যাদের ১ জন ফেল থেকে জিপিএ-৫, ৪১ জন ফেল থেকে পাস, এবং অন্যদের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।’

তিনি বলেন, গ্রেড পরিবর্তন না হলেও ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর ১ হাজার ২৩৫টি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসির ভর্তিতে এটা শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে।

প্রস’ঙ্গত এই বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৮৮৮ জন। পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here