ম’হামা’রী ক’রোনা ভাই’রাসের কারনে বংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে।

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই স’রকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে এমন সি’দ্ধান্ত। শুরুর দিকে বন্ধের সময়টা কম থাকলেও কয়েক দফায় বেড়ে সেতা শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে আগস্টের ৬ তারিখ পর্যন্ত।

এদিকে গেল সপ্তাহে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন রটে ঈদের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেই গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে শিক্ষাম’ন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই নাজেহাল অবস্থা কাটিয়ে উঠতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথাও জানা গেছে।

যার মধ্যে অন্যতম একটি হল মাধ্যমিকের সিলেবাস কমিয়ে আনা। সিলেবাস সংশোধ’ন করে নতুন করে স্বল্প সিলেবাসে চলতে পারে এই শিক্ষাবর্ষটি। শুধু তাই নয় শিক্ষাবর্ষের মেয়াদও বাড়তে পারে কয়েক মাস।

কবে নাগাদ খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেটা নিয়ে যখন জল্পনা শুরু হয়েছে তখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স’চিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন এখনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার মত পরিস্থিতি হয়নি।

সেপ্টেম্বরে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শুরু করার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সিলেবাস সংক্ষেপ করার জন্য জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) কাজ করছে বলেও নিশ্চিত করেছেন আকরাম-আল-হোসেন।

অন্যদিকে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের স’চিব মাহবুব হোসেন বলেছেন শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।

ক’রোনা নি’য়ন্ত্রণে আসলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সি’দ্ধান্ত নেয়া হবে। বন্ধের ক্ষ’তি পুষিয়ে নিতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান মাহবুব হোসেন।

কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সেটা ঈদের আগেই জানিয়ে দেয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা নেই।

ক’রোনা পরিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে আসলে তবেই শিক্ষার্থীরা ফিরতে পারবে ক্লাসে। তাই চলমান বন্ধের মেয়াদ ৬ আগস্ট পর্যন্ত থাকলেও সেটা যে বাড়ছে তা প্রায় নিশ্চিত।

তবে দুই ম’ন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের স’ঙ্গে আলাপে জানা গেছে, ঈদের পর না হলেও সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

যদি ক’রোনাভা’ইরাসে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয় এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে স’রকারের দায়িত্বশীলরা আশ্বস্ত হন তাহলেই প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

আপাতত দুটি পরিকল্পনা সামনে রেখে প্রস্তুতি চলছে। একটি হচ্ছে- সেপ্টেম্বরে খুলে দেয়া, আরেকটি এরপর যে কোনো সময়ে খুলে দেয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here